নিজস্ব প্রতিবেদক :
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভেতরে-বাইরে মশা ও লার্ভার ঘনত্ব নির্ণয়ের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ৮ জুন পরবর্তী আদেশের তারিখ রেখে এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
রোববার এ সংক্রান্ত রিটে সম্পূরক আবেদনের শুনানির নিয়ে এ আদেশ দেন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী তানভীর আহমেদ নিজেই। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাইফুর রাশেদ।
আইনজীবী তানভীর আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে রিটে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি সম্পূরক আবেদন করেছিলাম। সেই সম্পূরক আবেদনের শুনানির পর আদালত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সিএএবি-এর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আদেশ বাস্তবায়নের একটি প্রতিবেদনও দাখিল করতে বলেছিলেন। সিএএবি-এর আইনজীবী সাইফুর রাশেদ আদালতে একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মিলে নেয়া মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সেই প্রতিবেদনে ২০১৯ সালের জুনে সর্বশেষ বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে মশা ও মশার লার্ভা নির্ণয়ের সমীক্ষা চালানো হয়েছে। অথচ এ প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়েছে, দুই মাস পর পর বিমানবন্দরের ভেতরে-বাইরে এ সমীক্ষা তারা চালাবেন। কিন্তু গত তিন বছরে আর কোনো সমীক্ষা হয়নি। ফলে বিমানবন্দরে এখন মশার ঘনত্ব কত আমরা কেউ জানি না। এর সঙ্গে আমাদের জাতীয় ভাবমূর্তি জড়িত।
Leave a Reply